শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

উত্তরবঙ্গে সদস্য সংগ্রহে ব্যস্ত মহিলা জঙ্গিরা


উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সদস্য সংগ্রহের জন্য জোরেশোরে মাঠে নেমেছেন মহিলা জঙ্গি সদস্যরা। এ অঞ্চলে র‌্যাব ও পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকায় জঙ্গি সংগঠনের পুরুষ সদস্যরা তৎপরতা চালাতে না পারায় মহিলা সদস্যদের মাঠে নামানো হয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রগুলো দাবি করছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল, দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশে এ সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলছে বলে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে। বিশেষ করে হিযবুত 
তাওহীদ ও হিযবুত তাহরীরের মহিলা সদস্যরা তৎপরতা বাড়িয়েছে বলে সূত্রে প্রকাশ।
২০০৮ সালে জঙ্গি সংগঠনের মহিলা সদস্যরা অল্প পরিসরে সদস্য সংগ্রহ করে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে তাদের কাজের পরিধি বাড়িয়েছে এবং ক্রমশই তা বিস্তার লাভ করছে। এ অঞ্চলে গত বছর থেকে মহিলা সদস্যদের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে হিযবুত তাহরীর ও হিযবুত তাওহীদ। র‌্যাব ও পুলিশের হাতে সিডি, লিফলেট, বই, বুকলেট বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রীসহ মহিলা সদস্যরা গ্রেফতার হয়েছেন। মূলত একের পর এক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা গ্রেফফতার হওয়ার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মাঠে নামানো হয়েছে মহিলা সদস্যদের। রাজশাহী, নওগাঁ, জয়পুরহাট, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুর এলাকায় তারা কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে সূত্রটি জানায়। মূলত এরা বাড়ি বাড়ি, হাট-বাজারে গিয়ে সদস্য সংগ্রহ ও দাওয়াতি কার্যক্রম চালাচ্ছে। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, বর্তমানের রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে এরা যে কোনো সময় নাশকতা চালাতে পারে। 
র‌্যাব-৫ জানায়, রাজশাহীর রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলার পুঠিয়ার বানেশ্বর বাজার এলাকার কাপড় পট্টিতে হিযবুত তাওহীদের লিফলেট বিতরণকালে মহানগরীর বাজে কাজলার আজিজুল হকের মেয়ে ডলি খাতুন (২৮) ও জেলার চারঘাট উপজেলার শিবপুরের মনজুরের স্ত্রী সাধীনা বেগমকে (২৬) লিফলেট, বই, বুকলেট, সিডিসহ গ্রেফতার করে। এরা লিফলেট বিতরণ এবং সাধারণ মানুষদের ইসলাম সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিল। গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কর্মী সংগ্রহের কথা স্বীকার করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে র‌্যাব-৫ এর এক ক্যাম্প কমান্ডার বলেন, গ্রেফতারকৃত জঙ্গিদের কাছ থেকে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে বোঝা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের সাংগঠনিকভাবে আরো শক্তিশালী করার জন্য মহিলা সদস্যদের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের টার্গের নিয়ে মাঠে নেমেছে। বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করার সঙ্গে সঙ্গে তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, যার ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। মহিলা বাহিনীর যেসব সদস্যের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে তাদের গ্রেফতারের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে

আমার মৃত্যু যদি তোমাকে না কাঁদায়,তাহলে তোমাদের মৃত্যু কেন আমাকে কাঁদাবে???

বিঃদ্রঃলেখায় উল্লেখিত কোন নামকে হেয় করা বা ছোট করা উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়নি।এটা শুধু মাত্র লেখকে কল্পনা প্রসূত একটা লেখা।


আমার জন্ম পৃথিবীর এক শুভক্ষণে।এ সংঘাতয় পৃথিবীতে নয়।আমার জন্ম পৃথিবীকে করেছিল স্পন্দিত।হাসিতে ভরে উঠেছিল এ ধরনী।আনন্দের জোয়ার বয়েছিল ধরনীর বুকে।বেঁচে ছিলাম এ ধরনীতে আমি নিজের মত করে।কর্মময় আমার পৃথিবী ছিল অনন্য।অনেকের পৃথিবীতে প্রয়োজন ছিল আমার।আমি জন্মছিলাম এই পৃথিবীতে বড় অসহায় হয়ে।এসেছিলাম একেবারে নিসঙ্গ,বড়ই একা হিসাবে।আমার জন্মটা অতটা মধুর না হলেও,ছিল না তিক্ততা।আমার প্রয়োজন আমার পরিবারে।কারণ জন্ম থেকে অভিভাবক হীন আমি।সম্বলহীন মায়ের আমিই যে একমাত্র সন্তান।সাগরের মাঝে ভেসে থাকা মানুষ যেমন একটা খড়কুটোকে অবলম্বন করে বাঁচতে চাই,তেমনি আমার মাও তো চেয়ে ছিল আমাকে অবলম্বন করে বেঁচে থাকতে।এটা কি তার অপরাধ ছিল??তার চাওয়া কি ছিল অন্যায়???কেন তার স্বপ্নকে মেরে ফেলা হল??কেন তাকে করা হল নিঃস্ব??কি ছিল অন্যায় আমার মায়ের??আমাকে মেরে ফেলা হল।নির্মম ভাবে আমাকে হত্যা করা হল।আমার মায়ের কোল খালি করা হল।আমার মৃত্যুতে কেউ কাঁদল না।আমার এ অন্যায় মৃত্যুর কেউ প্রতিবাদ করল না।রাষ্ট্র আমার মৃত্যুর দায়ভার নিল না।রাষ্ট্র আমার জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারল না।রাষ্ট্র আমার মৃত্যুর তদন্ত করল না।দোষী চিহ্নিত অপরাধীদের বিচার করল না।আমার মৃত্যুকে তারা উপহাস করল।আমার মৃত্যুকে তারা ব্যঙ্গ করল।চরমভাবে অপমান করা হল আমাকে।আমার স্বত্তাকে তারা নিক্ষেপ করল আস্তাকুড়ে হিসাবে।কিন্তু আমিতো এমন ছিলাম না।
তাইতো তোমাদের মৃত্যু আমাকে আজ কাঁদায় না।তাইতো জাতির জনকে মৃত্যু আমাকে কাঁদায় না।তাইতো স্বাধীনতার ঘোষকের মৃত্যু আমাকে কাঁদায় না।তাদের মৃত্যু আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়।তাদের মৃত্যু আমাকে ভাবায় না।তাদের মৃত্যু আমার অন্তরে কোন ভাবাবেগের উদ্রেক হয় না।কাঁদায় না মাওলানা আব্দুল হামিদ খানের মৃত্যু।কাঁদায় না জহির রায়হানের মৃত্যু।স্ট্রুয়ার্ট মুজিবের মৃত্যু এজন্যই আমাকে স্পর্শ করে না।রফিক,শফিক,বরকত,জব্বার,সালাম এদের মৃত্যুতে তাইতো আমি অট্ট হাসিতে ফেটে পড়ি।কর্নেল তাহেরের মৃত্যু আমাকে উদ্বিগ্ন করে না।স্বাধীনতার হাজার হাজার তরুনের নিস্বার্থ মৃত্যু আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়।তাইতো মেজার জলিলের মৃত্যু আমাকে ভাবায় না।সিরাজ সিকদারের মৃত্যুও আমার মাঝে কোন পরিবর্তন আনে না।ভবিষ্যতে হয়তো কারো মৃত্যুই আমাকে কাঁদাবে না।হয়তো সকল মৃত্যু আমার কাছে তুচ্ছ মনে হবে।

কিন্তু কেন এমন হল??এর জন্য কারা দায়ী??কারা আমার স্বত্তা কে মেরে ফেললো?? 
আজ থেকে একশ বছর পরেও যদি আমার স্বত্তাকে মেরে ফেলার অপরাধ তাদের বিচার কাঠগড়ায় দাড় করানো হয়,তাহলে আমি অবাক হব না।বিচার যদি তাদেরকে ফাঁসিও দেয় তাহলেও আমি অবাক হব না।ইতিহাস তাদেরকে ক্ষমা করবে না।ইতিহাস তাদের বিচার করবে ঠিকই।ইতিহাসকে তো আর কেউ আটকে রাখতে পাবে না।

যাহা বলিবো, সত্য বলিব ৪ হাসিনার সময় খুব দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।



২০০৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের একটি ঘটনা পুরো পশ্চিমা বিশ্বকে তোলপাড় করে দেয়। আমেরিকা তো বটেই বিশ্বে এমন একটি ঘটনা ছিল নজিরবিহীন। সে বছরের ১৪ই জুলাই তৎকালিন স্বরাস্ট্রমন্ত্রি রিচার্ড আর্মিটেজের উদ্বৃতি দিয়ে প্রভাবশালি দৈনিক ওয়াশিংটন পোষ্টের বাঘা সাংবাদিক রবার্ট নোভাক, ভ্যালেরি পাম নামের একজন সি আই এর এজেন্ট এর পরিচয় ফাঁস করে দেন।

নিজ দেশের গোয়েন্দাদের নাম ফাঁস করে দেবার ফলে সারা যুক্তরাস্ট্রে হই চৈ পড়ে যায়। রাস্ট্রিয় গোপণীয়তা ফাঁসের অভিযোগে নোভাককে আদালত পর্যন্ত টেনে নেওয়া হয়। যেহেতু যুক্তরাস্ট্রের সংবিধানে প্রকাশিত সংবাদের উৎস না দেবার ব্যাপারে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা দেয়া আছে, তাই সে যাতার‍্য নোভাক পার পেয়ে গেলেও, স্বরাস্ট্রমন্ত্রি আর্মিটিজের প্রতি সমালোচনার ঝড় উঠে। সেই সুত্র অনুসন্ধান করে দেখা যায় যে, ইরাকে পারমানবিক অস্র আছে, বুশ চেনির সেই মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রমান হিসাবে, ভ্যালেরি পামের স্বামীকে নাইজারে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু মিসেস পামের স্বামি বুশ চেনির ফরমায়েসি কোন ধরণের মিথ্যা প্রমান যোগাড় করতে অসম্মত বা অসমর্থ হবার কারণে, ভ্যালিরি পামের ক্যারিয়ার শেষ করে দেয়া হয়। যা ঘটেছিল তৎকালিন ভাইস প্রেসিডেন্ট চেনির প্রত্যক্ষ সম্মতিতে। 

বিস্তারিত জানতে নীচের লিংক দেখুনঃ

http://en.wikipedia.org/wiki/Valerie_Plame

অর্থাৎ কর্তার ইচ্ছায় কর্ম সাধন না হলে, অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে। 

কিছুদিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে হাসিনার বিরুদ্ধে সেনা বিদ্রোহের কথা আই এস পি আরের তথ্য বিবরণি থেকে দেশবাসি জেনেছিলেন। অবশ্য এর আগেই দৈনিক আমার দেশ এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট ছাপিয়েছিল। তারও আগে কিন্তু যারা নিয়মত বগ্লস্ফিয়ারের বাসিন্দা, তারা একটি ইমেইলের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত অনেক তথ্যই জেনে গিয়েছিলেন। 

তথাকথিত এই সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনাটি যখন আমাদের স্মৃতিশক্তি থেকে প্রায় মুছে যাবার উপক্রম, ঠিক সেই সময়ে গত ২৮শে জানুয়ারি ভারতের ইন্ডীয়া টুডে নামের একটি পত্রিকা এই মর্মে রিপোর্ট করে যে, হাসিনা এবং আওয়ামি লিগের গুরুত্বপুর্ণ সদস্যদের রক্ষা করে ভারতে নিয়ে যাবার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার প্রস্তুত ছিল। 



রিপোর্টের বিস্তারিত দেখুন এখানে

Click This Link

গত সংবাদ নির্বাচনে "জেতার" পর পর হাসিনা যেভাবে উচ্ছসিত হয়ে ওপারের দাদাবাবুকে ফোন করে "সুখবর"টা দিয়েছিলেন, ভারতের আচার আচরণে বিতশৃদ্ধ জনগণ সেটা সহজভাবে মেনে নেয়নি। তারা এ কর্মটি একজন একান্ত বংশতবদ ভৃত্যের আচরণ বলেই গণ্য করেছিল। কারণ একটী স্বাধীন সার্বভৌম দেশের প্রধানমন্ত্রি তার দেশের মান সম্মানকে ধুলায় লুটিয়ে আত্মসম্মানবোধহীনের মত আচরণ করতে পারেন না। বাংলাদেশের সংবিধান বা জনমত তাকে সেই অধিকার দেয়নি।

দেশ চালানো তো দূরে থাক, আওয়ামি লিগের মত বড় একটি রাজনৈতিক দল চালানোও যার মেধা ও প্রজ্ঞার বাইরে, সেই শেখ হাসিনা, তা থেকে মোটেও শিক্ষা নেননি। উলটো করদ রাজ্যের নাম সর্বস্ব রাণির মত একের পর এক এমন সব পদক্ষেপ নিয়েছেন, যা প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বার্থের সাথে রীতিমত সাংঘর্ষিক, কিন্তু ভারতের পক্ষ্যে চরম অনুকুল। 

প্রধানমন্ত্রি হিসাবে শেখ হাসিনা, ভারত সফরের প্রথম যাত্রায় এমন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করলেন, যা সংসদে আলোচনা করে পাশ করাতেও তিনি সাহস করেননি। অথচ এ ধরণের চুক্তি হবার আগে প্রস্তাবগুলি সংসদে আলোচনা পরিক্ষা নীরিক্ষার বিধান আছে খোদ সংবিধানে। 

সংসদের ২/৩ংশ আসনে আসীন খোদ আওয়ামি লিগের এম পিদের সাথে তার কেন এই লুকোচুরি? তবে কি তিনি এমন চুক্তি করেছেন, যার বিরোধীতা আসতে পারে তার নিজের দলের এম পিদের কাছ থেকেই?



যদিও গণতন্ত্রে জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহিতার বিধান রয়েছে, এর পরেও সেই জবাদিহিতা এড়াতে তিনি প্রথমেই ৫ম সংশোধনি বাতিল করে ৭২ এর সংবিধানে ফিরে গেলেন। অথচ তার পিতার আমলে পাশ করা ৪র্থ সংশোধনিটি ওভাবেই রেখে দিলেন। ৭২ এর সংবিধানটি কিন্তু বঙ্গবন্ধু ৪র্থ সংশোধনি দিয়ে প্রতিস্থাপন করেছিলেন। তাই ৪র্থ সংশোধনি বাতিল না করে ৭২ এর সংবিধান পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। 

হিসাব পরিস্কার করে দেই। হাসিনার গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে এখন বাকশাল কায়েম করেছেন। (যেহেতু ৪র্থ সংশোধনি বাতিল হয়নি, তাই বাকশালতন্ত্র আবার কায়েম হয়েছে।)

আর সেই বাকশালকে নতুন করে গিলাবার জন্য তথ্য আইন, সাইবার আইন ইত্যাদি আইন করে হাসিনা বা তার দলের কুকীর্তি ঢাকার জন্য এবং বিরোধী মতকে দমন করার জন্য আইনের অপপ্রয়োগ ঘটানো হচ্ছে। 

প্রথমেই চরম নিন্দিত সাঃ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফকে দিয়ে ব্লগিংকে পর্ণগ্রাফি বলে আখ্যায়িত করার অপচেস্টা করা হয়েছে। এর পর মেজর জিয়াউলের বিবৃতি প্রকাশের অজুহাত তুলে ব্লগে গোয়েন্দা নজরদারি করা হয়েছে। আর অন্তর্জালে প্রতিবাদ প্রকাশের ধারাটিকে অংকুরেই বিনাশ করার জন্য ফেস বুকে একটি উক্তির জন্য অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত একজন শিক্ষকের নামে মামলাও ঠুকে দেয়া হয়েছে। 

বিভিন্ন ব্লগের মালিকদের চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। এজন্যই সামুতে দেখছি লেখা বা সংক্লিস্ট ছবি বা অন্য কিছুর দায়িত্ব থেকে নিজেদের অব্যাহতি দেবার ঘোষনা দিয়েছেন।এবং সব দায় লেখকের উপর দিয়েছেন। 

বিরোধি মত দলন ও রোধে আইনকে পাশে পাবার লক্ষ্যে খোদ বিচার বিভাগকেই দলীয়করণ করা হয়েছে। যারা ভিন্নমত পোষন করেন, তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে চাই সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি নিয়োগের ব্যাপারটি। এই দুইজনের একজন ছিলেন খুনের মামলার আসামি ( নিয়োগ দেবার আগের দিন যার মামলাটি আইন প্রতিমন্ত্রির অদ্ভুত তৎপরতায় অবিশ্বাস্য গতিতে তুলে নেয়া হয়েছিল মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে) আরেকজন ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাস ভাংচুরের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। 



এহেন দলীয় লোক দিয়ে বিচার বিভাগ নিরপেক্ষভাবে চলবে, একথা চরম আশাবাদি মানুষও আশা করে না। তাই আইন প্রয়োগের ব্যাপারে দলীয় হাইকমান্ডের ইচ্ছায় কর্ম সাধন করা হচ্ছে। তাতে আইন শৃংখলতা পরিস্থিতির কি হাল হয়েছে, সেটা অন্ধ না হলে সবারই দেখার কথা। 

এতদিন শুনতাম বি এন পির লোকেরা সিন্ডিকেট করে দ্রব্যমুল্যের দাম বাড়িয়েছে। বি এন পি আমলে রোজার সময় একবার কাচা মরিচের দাম ৮০ টাকা কেজি হওয়াতে আওয়ামি লিগ আর তার পোষ্যমিডিয়ার কি লম্ফ ঝম্ফ ! বি এন পির লজ্জা শরম ছিল। তৎকালিন বানিজ্যমন্ত্রি আমির খস্রু মাহমুদ চৌধুরি পদত্যাগ করেছিলেন। 

এর বিপরীতে আওয়ামি বাণিজ্যমন্ত্রি ফারুক খান পদত্যাগ তো দুরের কথা, বরং ভারতের নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রির উপদেস্টা গওহর রিজভির পরিবারের সাহে মিলে দু হাতে আয় করছেন। (সামিট গ্রুপটি খান-রিজভির যৌথ প্রযোজনায়)

তাছাড়া ফারুক খানের মুখে বিধাতা কি মধু দিয়েছিলেন জানি না। তিনি মুখ খুললেই দেখা যেতো পরদিনই জিনিস পত্রের দাম বেড়ে গিয়েছে। 

আইন শৃংখলার চরম অবনতি, ভিনমত রোধ ও দলনে বাকশালি পন্থা অবলম্বন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনমতকে তোয়াক্কা না করা, শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাস কবলিত করা, এবং প্রকাশ্যে বাংলাদেশের স্বার্থের বিরপীতে নির্লজ্জভাবে ভারতের স্বার্থ রক্ষা করা (হাসিনা ও তার একান্ত বাধ্যগত গওহর, ইমাম, আশরাফ, মুহিত এব্যাপারে চুরি এবং সিনাজুরির ভুমিকায় অবতীর্ণ) এসব কারণে এখন সাধারণ মানুষের চক্ষুশুল। 

আগামি নির্বাচনে আওয়ামি লিগের জন্য চরম বিপর্যয় অপেক্ষা করছে, তার সব লক্ষণ সুস্পস্ট। যদিও দাদারা মাঝে মধ্যে হুমকি দিচ্ছেন, হাসিনার জন্য এই করবো সেই করবো ইত্যাদি।

কিন্তু সেগুলি সব কথার কথা। 

আগ্রাসি শক্তি বিশেষ করে চানক্যের নীতি নিয়ে চলা ভারত চেয়েছিল, চুপিচুপি নিজের স্বার্থ হাসিল করে ফেলতে। কিন্তু হাসিনা আর তার দলের লোকদের চোয়ালবাজি এবং দাসত্ব প্রকাশে কৌশলি হতে ব্যার্থ হবার কারণে, ভারত হাসিনার উপর আস্থা হারিয়েছে। 

সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দুই চোখের বিষ হয়ে আখের নস্ট করার মত অবিবেচক ভারত নয়। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়ে যদি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ঘুরে দাঁড়ায়, তবে সুদুর ভবিষ্যতে সেটা ভারতের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে। 

আরেকটা উপায় হচ্ছে হাসিনাকে আজীবন ক্ষমতায় রাখার জন্য বাকশালের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। যা বর্তমান যুগে অসম্ভব। কেননা আমেরিকা বা ইউরোপ এধরণের সরকারকে নৈতিকভাবেই সমর্থন জানাতে পারবে না। তাছাড়া ডঃ ইউনুসের প্রতি উন্মত্ত আচরনের কারণে আমেরিকা এবং ইউরোপ হাসিনার উপর বেশ নাখোশ রয়েছে।

ভারত এখন চাইছে, হাসিনার মত আপদ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিদায় নিক। কিন্তু চরম ফন্দিবাজ ভারত নিজে থেকে কিছু তো করবে না। ( নেপালের রাজ পরিবারকে নির্বংশ ভারতই করেছিল, তাতে সাপও মরেছে, লাঠিও ভাঙ্গেনি।)

এতদিন আওয়ামি লিগ আর ভারত বিরোধী পত্রিকা বা কলাম লেখকদের মাধ্যমে হাসিনার ভারতপ্রেমের কথা শুনে, যাই হোক কিছুটা হলেও সংশয়ের ধোয়া তুলা সম্ভব ছিল। এখন খোদ ভারতের পত্রিকায়ই যখন হাসিনার ইন্ডিয়াপ্রীতির নমুনা তুলে ধরা হলো, তখন সেই সংশবাদিদের সংশয়ের অবকাশ আর থাকলো না। ফলে সাধারণ মানুষের চোখে হাসিনা ও আওয়ামি লিগ আরো ক্ষেপে যাবার সুযোগ তৈরি হলো।

যার প্রতিক্রিয়ায় একটি অভ্যুত্থান কিংবা গণ অভ্যুত্থানের ঝুকিতে ফেলে হাসিনাকে বিদায় দেবার প্রক্রিয়া শুরু করে ভারত। 

ইতিমধ্যে যা যা দরকার ছিল, প্রায় সবই নেয়া হয়ে গিয়েছে। এখন চোখের বালিকে ধুয়ে ফেলার নিমিত্তেই ভারত সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের চরম গোপণীয় খবরটি পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ করে দেয়া হয়েছে।

যাতে হাসিনা ও আওয়ামি লিগের উপর ইতিমধ্যেই অগ্নিশর্মা হয়ে উঠা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে কিছু একটা ঘটিয়ে ফেলে। 

ডিক চেনি আর দাদাদের আচরনের মধ্যে অপ্রত্যক্ষ কিছু মিল খুজে পাচ্ছেন তো?

ইতিহাসের পাতায় দেশদ্রোহিরা থাকে আস্তাকুরে নিক্ষিপ্ত। বোধ করি ইতিহাসের আস্তাকুরে ইতিমধ্যেই নিক্ষিপ্ত কিছু মানুষের তালিকায় নতুন কিছু নাম যুক্ত হতে যাচ্ছে। 

মিডিয়া-দেখেন, সত্য কোনদিন চাপা থাকে না- চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় লোকনাথ মন্দির ভাঙচুর- আজ মহোৎসব ছিল



বাংলাদেশের চট্ গ্রামের হাটাজারীর থানার নন্দীর হাটে অবস্থিত শ্রীশ্রীলোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার নয়নাভিরাম আশ্রমে হামলা চারিয়েছে কিছু ধর্মের লেবাস পড়া কিছু লোক।


  মন্দিরের ভিতরে সম্পূর্ণ ধ্বংস যজ্ঞ চালায় এরা অনেকটা মধ্য যুগীয় কায়দাকে হার মানায়।
  লোকনাথ বাবার শ্রী বিগ্রহটাও রক্ষা পায়নি এসব মানবতার কুলাং্গারদের হাতে।  দেশের হিন্দুরা আর কতকাল ২য় শ্রেণীর নাগরি... হয়ে থাকবে

 যারা শান্তির ধর্ম শান্তির ধর্ম বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলে তাদের বলছিএটাই কি শান্তির নমুনা। আসুন বাংলার সকল অসামপ্রদায়িক মানুষেরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে যেসব বেশ্যা রাজনৈতিক দল  লোক তাদের প্রতিহত করি এবং অন্তর থেকে ধিক্কার জানাই।
 আরো কষ্টের বিষয়, বাংলাদেশের কোন টিভি মিডিয়ার (এটিএন নিউজ ছাড়া) খবরে এটি আেসেনি।্এটাই কি অসাম্প্রদায়িক চেতনা? কিন্তু ভাইজানেরা বিধাতার বিচার শুরু হয়েছে এবং আরো হবে শুধু অপেক্ষা করুন!

সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১২

দীপু মনি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি দাবি করেছেন ভারত টিপাইমুখে প্রকল্পের কাজ এখনো শুরু করেনি। তারা সেখানে শুধুই বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। গতকাল জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

তিনি বলেন, ভারতের নাগাল্যান্ড ও মণিপুর রাজ্যের সীমান্তের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন বরাক নদের বিভিন্ন উপনদীর প্রবাহের কারণে বন্যা হয়। আর এতে আসামে প্রায়ই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ এলাকার বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্যই ভারত টিপাইমুখের উজানে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এ লক্ষ্যে তারা অনুসন্ধান চালাচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ১৯৭২ সালের প্রথম বৈঠকে আসামের কাচাড় ও বাংলাদেশের সিলেটের বন্যার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর উভয় দেশের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে একটি সমীক্ষা কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে এবং বরাকের উজানে ভুবন্দর সাইটে বাঁধ নির্মাণের পরামর্শ দেয়। সংসদে দীপু মনি বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল ২০০৯ সালের ২৯ জুলাই ভারতের প্রস্তাবিত টিপাইমুখ প্রকল্প পরিদর্শন করে। তারা দেশে ফিরে ওই এলাকায় বাঁধ নির্মাণসংক্রান্ত কোনো অবকাঠামো পড়েনি বলে প্রতিবেদন দেয়। উল্লেখ্য, সে সময় প্রতিনিধি দলটি প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য হেলিকপ্টার থেকে নামতে পারেনি। এ কে এম মাইদুল ইসলাম এমপির তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে চীন এখন পর্যন্ত ব্র?হ্মপুত্র নদের পানি প্রত্যাহারসংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম গ্রহণের প্রস্তাব করেনি। চীন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ আলোচনার একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। আমরা আশা করি, চীনের মধ্যে বিদ্যমান পানিসংক্রান্ত বিষয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা হবে।

টিপাইমুখ বাঁধ ঠেকাতে মণিপুরে ছাত্র-জনতার শপথ : এদিকে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যে কোনো মূল্যে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ প্রতিহত করার শপথ নিয়েছে ভারতের মণিপুর রাজ্যের ছাত্র সংগঠন 'হমার স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন'। তারা বরাক ও দুই ভাই নদীর মিলিত প্রবাহের ৫০০ মিটার ভাটিতে মণিপুর-মিজোরাম সীমান্তের কাছে ভারতের প্রস্তাবিত এক হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের টিপাইমুখ বহুমুখী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প যে কোনো মূল্যে ঠেকানোর ঘোষণা দিয়েছে। গ্রামবাসীও প্রকল্প এলাকায় কোনো কর্মকর্তাকে ঢুকতে না দিতে বদ্ধপরিকর।

মণিপুরের চুরাচাঁদপুর জেলার টিপাইমুখ গ্রামে শিলচর ও ঢাকার একদল সাংবাদিকের কাছে সংগঠনের নেতারা বলেন, এই গ্রাম থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার দূরে প্রস্তাবিত ১৬২ দশমিক ৮০ মিটার উচ্চতার ওই বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা সরকার এবং এর সমর্থকদের ওপর ক্ষুুব্ধ। তারা বুকের রক্ত দেবেন তবু তাদের গ্রামে ওই বাঁধ হতে দেবেন না। বাঁধের বিরোধিতার কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, বাঁধ হলে হাজার হাজার আদিবাসী বাসস্থান এবং জীবিকা হারাবে। উল্লেখ্য, বরাক নদে প্রস্তাবিত টিপাইমুখ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি যৌথ উদ্যোগে সমান অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নির্মাণ করবে এনএইচপিসি এবং সাতলুজ জলবিদ্যুৎ নিগম লি. (এসজেভিএনএল)। রাজ্যের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ২০০৮ সালের ১০ অক্টোবর টিপাইমুখ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। এর জন্য বন পরিষ্কারের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে নয় হাজার ২১১ কোটি রুপি। শেষ হতে সাত বছর তিন মাস লেগে যেতে পারে।

পৃষ্ঠাসমূহ